text

মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতনের ডিজিটাল জগতে আপনাকে স্বাগতম

StudentsFamilies_homebanner

এক নজরে মেঘনাপাড় স্কুল

স্কুলের অবস্থানঃ

লক্ষ্মীপুর মজুচৌধুরী হাট

মোট শিক্ষার্থী সংখ্যাঃ

১০০ জন

মোট শিক্ষকঃ

২ জন
ফারজানা সুলতানা (এইচ এস সি)
আমেনা আক্তার সাথী (এইচ এস সি)

ক্লাস সময়ঃ

বিকাল ৩-৫:৩০ পর্যন্ত

সাপ্তাহিক ছুটির দিনঃ

শুক্রবার

মেঘনাপাড় স্কুল সারসংক্ষেপ

মেঘনাপাড় ধীবর বিদ্যানিকেতন লক্ষ্মীপুর জেলার মজু চৌধুরী হাটে পানি উন্নয়ন বোর্ডের এক টুকরো কাচা রাস্তার মাথার উপর স্থাপিত একটি স্কুল। ২০০৮ সালের ১৪ জুলাই স্কুলটির ভিত্তি গড়ে তোলা হয়। লক্ষ্মীপুর শহর ছাড়িয়ে প্রায় সাড়ে এগার কিলোমিটার দক্ষিণে মজু চৌধুরী হাট। মেঘনা নদীকে শাসন করার জন্য দুইটি স্লুইস গেট এর মাঝামাঝি একটি কাচা রাস্তা পশ্চিমে ৫০০ গজ গিয়ে শেষ হয়েছে। এই রাস্তার মাথাটুকুকে কেন্দ্র করে ৩০/৪০ বৎসর ধরে একটি জেলে জনগোষ্ঠি বসবাস করছে। এদের প্রকৃত পেশা মাছ ধরা। তাছাড়া বেড়ি বাধের উপর আরও প্রায় এক-দেড়শ জেলে পরিবারের বসবাস।

মেঘনা নদী এবং এর তীরে বসবাসরত জেলে সন্তানদের পড়াশুনার সুবিধার কথা চিন্তা করে স্কুলটি শুরু করা হয়। প্রাথমিক অবস্থায় দুজনের যৌথ উদ্যোগে স্থাপন করা হলেও প্রথম আলো ব্লগার বন্ধু এবং স্থানীয় অধিবাসীদের সহায়তায় স্কুলটি দরিদ্র জেলে পল্লীতে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে চলেছে। বাংলাদেশের সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে স্কুলটি স্থাপন করা হয়েছে।

মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই প্রতিষ্ঠানটির স্থাপনা একটি মহতী উদ্যোগ। শিক্ষার সাথে জড়িত হওয়ার কোন সম্ভাবনাই ছিল না এখানকার শিশুদের।জনপদটি থেকে আনুমানিক এক-দেড় কিলোমিটার দূরে একটি প্রাইমারি স্কুল আছে। স্কুল যখন শুরু হয় শিশুরা মেঘনার বুকে সুদূর চরে চলে যায় বাবা-মাকে মাছ ধরতে সাহায্য করার জন্য। সূর্য যখন পশ্চিম পাটে অস্ত যায় তখন শিশুরা নৌকা করে ঘরে ফেরে। তাই শিশুদের কথা চিন্তা করে বিকাল ৩.০০ টা থেকে স্কুলের পাঠদান কার্যক্রম চলে। স্কুলের একমাত্র শিক্ষিকা ফারজানা ইয়াসমিন। স্কুলে বর্তমানে ৮৬ জন শিক্ষার্থী। এই ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা গভীর আগ্রহ নিয়ে স্কুলে পড়তে আসে। বর্তমানে শিক্ষার্থীদের 'খোকা খুকুর প্রথম পড়া' বইটি দিয়ে তাদের শিক্ষার আগ্রহ জন্মানো হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের দাবি বেঞ্চে বসে পড়াশুনা করবে। প্রথম আলো ব্লগার বন্ধুদের সহায়তায় খুব শীঘ্রই বেঞ্চের ব্যবস্থা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ এর জন্য ডোনেশন গ্রহণ করা হচ্ছে।

ডোনারদের অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে এই ওয়েবসাইটটি ডেভেলপ করা হয়েছে। এখানে সকল ডোনারের প্রদত্ত অর্থ এবং ব্যয় নিয়ে নিয়মিত আপডেট থাকবে।